বনচাঁড়ালের রিপোর্ট : পজিশন 69
ছয়কে নয় নয়কে ছয় করার মন্ত্রোচ্চারণ
শিকেয়তোলা থাক।
বরং এ খাদ্য সমর্পণ করে দাও আমাকে আমার
বহুদিনের সখ তোমার ঋতুস্নানের অশুদ্ধ খবর শুদ্ধ
সমকামী চেতনায় চেটে দেখবো গ্রন্থজন্ম লাভের
আশায় বা 'অপাবৃণু' শব্দটার বাস্তব মানচিত্র আঁকার জন্য কিংবা অন্য কোনো কারনে রাশিয়ার কোনো এক
গ্রাম থেকে চোখের পাতায় করে শুষ্ক বরফ এনে যদি
বলি লরির চাকার কাছে তোমার নমনীয়তার পাঠ
নেওয়া উচিত তাই একে একে সমস্ত আরশোলা ভেঙে
শামুক ফিরে যায় শতাব্দীপ্রাচীন জলীয় চিহ্ন
ও বিহ্বলতায়
তোমার চুনাপাথরের মোড়ক গলে বৃষ্টিসঞ্জাত হ্যারিকেন
জন্ম নেয় তুষারপাতের কাঠিন্যে, বেশরম মাকাল
ফুলশয্যায়, ঋজু রঙের প্রেম ঘুরতে ঘুরতে মেলার রাতে
নাগরদোলা হয়ে যায় আমি ফিরে পাই বড়োবেলার
বীর্যপাতে ছোটবেলার সাইরেন, অযথা চুল ছিঁড়ে তুমি
উকুনের পিঠে চেপে বসো, বালামচির ফণা তুলে ডেকে
আনো বিজ্ঞান বইয়ের শব্দ বিষয়ক সোহাগ
যাকে সেঁজুতির রসে ডুবিয়ে রাখলে নিরোধ করা সহজ
হয় তবু তোমার ক্লিটোরিসে এই জিভ রেখে আমি দ্রুত
ভুলে যাই ঠিক তার কয়েক ইঞ্চি ওপরে বহুতল কন্দর
থেকে বেরিয়ে আসে মুতে ভেজা ডিম্বানুরা অথবা
যেভাবে জলকে আটকে রেখে গাঁথা হয় ব্রিজ সেভাবেই
সবিনয়ে দ্রবীভূত আমাদের ঠোঁটে ছালওঠা
সমুদ্রক্ষেতের ডি.এন.এ. বাসা বেঁধে থাকে
আমার অন্ডকোষ সংলগ্ন পরিখায় প্রতিবার সিক্ত হেয়ার রিমুভ করতে গিয়ে মনে পড়ে -
তোমার বগলে জেগে ওঠা অন্তর্বাহীনি লুণির বালুকাবেলা
তারা মুখের থেকে আলাদা
জরায়ুর থেকেও আলাদা
ভঙ্গিতে
নদী সংস্কার প্রকল্পের হাতছানি দেয় কিন্তু
কতজন তার স্তনে ছুঁয়ে দ্যাখে ভার
ভরহীন বুদবুদ জমে আছে কিনা শিথিল বোঁটায় অস্থির
স্বেদ অথবা জমে ওঠা পুঁজ : চরম মুহূর্তে নম্র দুটি পা
। ফাঁক।
দাঁড়িয়ে পরে মৃত গাছেরা স্তূপাকার ভক্তির ধূপে
গদগদশিশ্ন ঝাঁপিয়ে পড়ে শরীরের অন্তরসত্যে,
আবরণ সরিয়ে উন্মচিত হয় মিলনাঘাতের বিচিত্র বেদনার আকুতি - অহং ব্রহ্মাস্মি!!
শরীরে কোটাল ডাকে,
পেরেকের ফুলে মেঘের রক্তক্ষরণ হয়,
নোঙরহীন ভালোবাসার মাশুলবাবদ পার্থেনিয়ামগুচ্ছ
দেখে তুমি নিজেকে অক্টোপাস ভাবো - তালপাতায়
কাটো সাঁতার, জরুরি খবরের মতো চেহারা নিয়ে
আমরা কাগজীলেবুর রস হয়ে যাই নির্বিঘ্নে -
তবেই না অপরাধ রাখা যায় উন্মুক্ত বুকে?
এই কলাবাগান এই খানাখন্দ, ঘুনপোকাদের বাসাবাড়ি,
ক্লান্ত প্রজাপতির তোবড়ানো ডানায়, দুমড়ানো দুধের
ওপর বিস্ফোরিত হয় যন্ত্রনা ও সিল্করুট অভিমান।
অতঃপর
সারা বিশ্বের ছড়ানো ছেঁটানো কামনাবাসনার
অর্গানাইজড্ ফোর্স এপার ওপার ছুঁয়ে থাকে --
ছায়াপথে তীব্র রসনাতৃপ্তি!
গোমুখ গুহার মুখে বরফ জমার আগেই
কার্যত হাত এবং কলম কিসসায় ভগীরথের শঙ্খ -
দেয় উল্টো টান - আর আমি
মঙ্গলসূত্রের বদলে তোমাকে দিলাম কামসূত্রের উত্তরীয়
: আসলে পটিয়ে নিলাম হাইমেন সিকিওরিটি -
আমি ভাঙছি
আমি পিছলোচ্ছি বারেবারে!
কুঁকরে উঠছে বাকযন্ত্র : তোমা থেকে কোমা থেকে...
অ্যালোজোমগুলো পিছু নিয়ে আছে
শেকড়ে শেকড় বোঁটায় কামড়!
স্ক্রোটামের নীল ব্যাগে ঝুলে আছি শূন্যতায়!
[ বীথিকার তলপেটে কীসব সিস্টেম ঘোরেফেরে ---
বারনামের জঙ্গল উঠে আসে সত্যকে পাবার লোভে।
তাদের সবার হাতে শুক্রথলি ফোরস্কিনের ভাজে ভাজে
লুকিয়ে থাকা প্রেমের আদমশুমারি হবে আজ। ]
-- মিউকাস মাখা বলয় থেকে হাজার সূর্যের যোনি
মারিয়ানা হয়ে ওঠে। অধুনান্তিক লজ্জায় ছিঁড়ে ফেলি একটা একটা পাপড়ি। ভাট ফুলে মুখ গুঁজে জেগে থাকি তীব্রভাবে...
ঈশ্বর আর সাবিত্রীর অপবিত্র ইন্টারকোর্সের
তারিখ-দলিল-তাবিজ-কেতাব-ফসল সওব
আলোপাথার রুমালে বাঁধা আছে -
আসছে বছর ওসবকিছু ছড়িয়ে দেবো মাল্টিভার্সে।
ওরা স্পাই, মুন্ডমাল ইতরশব্দকণা - কাজললতা পরিয়ে
ওদের কোনো 'গাছি'তে বসিয়ে দেবো ;
ওরা রক্তবর্ণের হাসনুহানা হয়ে উঠবে !
ম্যাজেন্টা রঙের ব্রা পরা উত্তেজনায় সেকি ব্যারিকেড
ভাঙা আলো দেখি, কূপমণ্ডূক রোমকূপে উল্কাপাত
আকাশগাঙ জুড়ে নভোনীল মর্মর কার্পাস ক্লান্তিতে
স্বস্তির ম্যাপ আঁকে দেহের টোপোশিট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে
নাদির বিন্দু থেকে অতলান্ত গর্তে
জীবদেহের পচন শুরু হলে তৈরি হয় হিউমিক অ্যাসিড
এবং আবারও ক্ষুধার্ত রজঃরেণু সুড়ঙ্গের ইতিহাসে আটকে পরে; গোলাপি আলজিভে স্পষ্ট দেখা যায় - ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য!
ইস্ট্রোজেন বা প্রোজেস্টেরন ক্ষরনে আমি পরমপুরুষ
তুমি পরমনারী -- অ্যাড্রিনালিন ছড়িয়ে দিচ্ছি গ্রহদের
হাঁয়ে হাঁয়ে;যৌনাঙ্গে মেঘ করলে তুমি ময়ূরকান্ড খাচ্ছো আমি যোনি। অতঃপর
অতঃপর এক জাদুবুনন - বদলে যাচ্ছে বারেবারে -
ক্রমাগত জন্মাচ্ছে আর মরছে
আমাদের অবস্থান উন্মত্ততা।
তোমার শরীরের অব্যক্ত ক্ষেত্র ছাড়া এই সময়
মিথ্যা চুম্বক, এই মহাশূন্য
অস্তিত্বহীন বারাঙ্গনার অ্যানড্রোমেডা.............
______\\_______\\______\\____
© সৌরভ বর্ধন


Comments
Post a Comment