Posts

চরৈবেতি

Image
নিতান্ত সাধারণ আপেলগুলোকে মাটির দিকে ঠেলে  ভবঘুরে কোশ চেয়ারে বসে কাটিয়ে দেয় প্রোটোপ্লাজম জলের মধ্যে প্যারামোসিয়াম গ্যাজেলি-হরিণ টিকটিকি দেয়ালের ছায়ায় পড়ন্ত হয়ে ওঠে গাছের জীবনচরিত - গাছ মাত্রেই দৌড়াতে নারাজ। থেমে যাওয়া = মৃত্যু (?)             আপেল উঠে আসে গাছের দিকে                     আরেকটু গেলেই ০তা বাস্তব ≠ সত্য       স্থিরতা ≠ গাছ    জাড্যতা ≠ সভ্যতা রাতের আকাশে { নক্ষত্রখচিত + মেঘাচ্ছাদিত } প্যারোলে মুক্ত যে ঘুড়িটাকে আমি উড়তে দেখেছি তার কাপকাঠিতে অতসী মেঘ জড়িয়ে আছে। আমি হাত বাড়ালেই বৃষ্টি...তবু নিশপিশে ভিড় ঠেলেগুঁজে নতুন পায়ের সিলিয়া/সিটি হেঁকে ওঠে বাস কন্ডাকটর                       ঘামাচি হাতে            ...

প্রাগৈতিহাসিক

Image
মধ্যরাত্রির মৃত্যুর পর খসে পড়লো শরীরের শেষ সুতোটুকু - কেমন আধুনিক অসভ্য দেখাচ্ছে আমায়! এক চূড়া থেকে আরেক চূড়ায়       ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছি আমি - গাছপালার রং                                   বদলে যাচ্ছে........ আমি মেয়েদের চোখের জল কামড়ে কামড়ে খাচ্ছি, আগুন জ্বালাতে ভুলে গেছি    তাই কাঁচা!                  এটা গহন অরণ্য                  এটা আধুনিক গুহা     (এখানে বসে কবিতা লেখা যায় না।) উলঙ্গ রাত্রি ক্রমশ ভরে যাচ্ছে বুকের ভেতর! এক লোক থেকে আরেক লোকে                    গুড়িয়ে যাচ্ছি আমি, আমার খেয়াল আমার অনুভূতি আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি      আর সীমার বাইরে অসীম অন্ধকার! চোখ      টেনে টেনে        তবু লিখছি চুম্বনরত দুটি জীবানুর অন্তরঙ্গতা হায়ারোগ্লিফি...

মেঘ সংহিতা

Image
এ যাবৎ আমি অনেক রকম মেঘ শিকার/ স্বীকার করেছি - স্বচ্ছ অলক মেঘ আকাশে থাকা সত্ত্বেও আমি সূর্যের পালকে দেখেছি পারস্পারিক বন্ধন - (মেঘ - ১) জলের মতো শুয়ে থেকে থেকে একদিন সবাইকেই বাষ্প হতে হয়। মেঘ হতে হয় সকলকে। আমাদেরও তেমন স্বপ্ন ছিল। বাষ্প জমিয়ে জমিয়ে বোমারু মেঘ হতে চেয়েছিলাম। ঠিক এমনই মেঘলা দিন - আকাশে ঝুলতো মেঘের ঝুরি; আমরা জানলায় টাঙিয়ে দিতাম ধৃতরাষ্ট্রের চোখ, আমাদের ব্লাউজ-শাড়ি ভিজে একসা। (মেঘ - ২) রাত জেগে আমরা ফসফরাস আলো পাহারা দিতাম। আকাশে নেবুলা দেখা দিত ঈর্ষান্বিত কাছের পাঁচিলগুলোয়; আমরা জানলা খুলে দিতাম পেয়ারা পাতার বইয়ে। প্রত্যেক সৎ মুহূর্তে আমার ঘুম আসতো না, আমি চমকে উঠতাম। পায়ে পায়ে নির্মেদ সময় আরও তাপ বর্জন করে শীতলতম রাত্রি পেতো। তারপর ধূলিকণার আশ্রয় হয়ে ওঠার পালা। একটু একটু করে উষ্ণতা ভুলে আমরা মেঘ হবো ভাবতাম। (মেঘ - ৩) এক ঝাঁক অবাধ্য ম্যাকারেল মাছ, হ্যারিকেন আর আমার মা গুনগুন স্বরে মাঠা তাঁত আগলাতো বর্ষায়। আমাদের সব দুঃখরা ডাকসাইটে অন্ধকারে চড়াও হতো অন্ধকারাচ্ছন্ন চুলের ভেতর। আমি শব্দ হারাবার ভয়ে বিপ্ বিপ্ খিস্তির মালা পড়িয়ে দিতাম প্যাঁ...

লেডি বাটন্

Image
আট হাজার স্নায়ু  মুখ থুবড়ে এসে ডানা ঝাঁপটায় ( ১/৪ হিমশৈল = মটরশুঁটি)  উত্তাল উন্মাদনা আছড়ে পরে  ভূমধ্যসাগরে আমি মঙ্গোলীয় পুরুষ হই আর তুমি শুক্রীয় নারী যুদ্ধ নয় আনন্দময় অ্যানড্রোজিনি! আস্তে আস্তে গভীর আপন হবার চেষ্টায় বর্ণমালার জিহ্বাফলক  অথবা তোমার সঙ্গী শাদা বেড়াল  কিংবা কাকাতুয়া অঙ্গুলিলেহনে বদলে যাওয়া পরিবেশ তুমি মারিয়া বোনাপার্টা হতে গেলে না আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রাখলে সমস্ত সুখ জন্মপথের এক ইঞ্চি দূরে বা কাছে                ______________ ©সৌরভ বর্ধন

ঘোটকী পুরাণ কাহীনি

Image
সাগর থেকে ফেরা অসহ্য নীল গুমরে থাকে ফুলের ভেতর  কোয়ান্টাম তথ্যের তারে তামসিক স্বর ভেসে আসে (২) যদি তারে নাই চিনি গো (সেকি) কার্বাইড দিয়ে পাকানো রোদ আরো নগ্নবীজ (?) (৩) সাঁজোয়া হামলায় বক্তৃতা সেরে নদীর জল উপত্যকায় ছিনি মিনি, মিনি ছিনি  ছলাৎছল্ (৪) ঘাড় তুলে ধরো বহুতল, ফেরীঘাট ফোঁটা জল সঞ্চিত হও বুকে (৫) হৃদয় চিল হৃদয়ে শকুন উপধমনীর আশকারাদান সমুদ্র বেয়ে আরোহণ ছবিতায় (৬) বালামচি খুলে রাখি এবার বেগুনী চেটে দেখি সফেন জুটেছে কোমরে বন্ধু মাটি , বন্ধু ঘাস (৭) একটু তন্দ্রা মতন ভয় নেমে আসে খুরে অনূদিত হয় সন্ধেবেলা ছন্দ রূপ রীতি স্তিমিত হচ্ছে ক্রমশ  (৮) আরো নটিক্যাল বিস্তৃতি আরো ঝাউবন পৃষ্টতা উজানে ভেঙে পড়ে দুই হাঁটু (৯) ব্যাস! থেমে যাও হ্রেষা নিস্তব্ধ টগবগ নীল বালি মুখে ভেঙে পড়ো হঠাৎ                             আস্তে আস্তে                                      ...

জলবিভাজিকা

Image
সময়ের সাথে সাথে নদীগুলি ক্রমশ ক্ষয় করে তাকে তার উচ্চতা ও প্রশস্ততা ধীরে ধীরে কবিতার কথা বলে ক. আখক্ষেতের নীচে সরু আলপথে খপ্ খপ্ করে হাঁটছি, এখন বর্ষাকালীয় হাঁটার চেয়ে কঠিন কিছু নেই আমার অথচ, চেয়েছিলাম দুজনে মিলে দোয়াব তৈরি করব - তুমি আগ্রা আমি এলাহাবাদ......... সত্যি কথা বলতে, এরপর গ্রিন-সিটি প্রকল্পের বাঁধানো ঘাটে বসে বিশ্রামরত উন্নয়নের সাথে আলোচনা                                                  আমাকে মানায় না ব্যক্তিগতভাবে বৃষ্টিপাত হলে আমি তুমুল হয়ে উঠি, ঘাসের রক্তের গন্ধ আমাকে বেসামাল করে রাখে ভোর খ. শূন্য বিঘৎ আয়ুর সামনে দাঁড়িয়ে পার্বত্য জল, দূরবীন ফুটনোটের নির্যাস চোষে ~ চকচকে বাদামি চেতনালাভ সাথেই থাকে লাইসোজোম প্যারালাল হিমমিশ্রের আন্তরিকতায় জমিদখল জবরদখল একের পর এক ভূমিরূপ, গন্ধমাদন পর্বতের মলাট খোলায় যতটা বাহাদুরি চোখে পড়ে ততটা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নয় অথচ, দুপুরবেলার সিঁড়ি বলে দেয় - ক্লিপে আঁটা রামধনু আর যাই হোক আম...

বেবি ডল

Image
ফুলটির পেশা কী?  কেউ জানতে চায়নি আজ পর্যন্ত। নির্দিষ্ট সাকিন যে আছে তাও তো বলা যাবে না। প্রকৃতিবিজ্ঞানী কেউ হয়তো অনেকটা বলতে পারবে তবু সবটা না। কিন্তু ফুলটি যে সত্যিই বেবি, তা তো নয়, বেবিরও বেবি হয়, যদিও আমাদের এখানে বেবি বলতে একজন হিজড়ের কথাই সকলে জানে যে জুয়া খেলে প্রচুর টাকা নষ্ট করেছিল এবং থানা-পুলিশও বিস্তর হয়েছিল। আবার, ফুলটিকে যে জোড় করে 'ডল' বলছি অর্থাৎ তার ওপরে 'জড় সত্তা' আরোপ করছি তা তো মানবতা এবং গাছবতা বিরোধী। গাছের সাথে আমরা এমনই করি, গাছ আমাদের অর্থের জোগান! যাক গে,  এবার আসল যে কথা বলার তা হলো - বেবি আর ডল - এই দুটো শব্দকে যখন পাশাপাশি রাখা হয় তখন যার কথা সর্বাগ্রে মনে আসে তিনি হলেন সানি লিওন, যদিও 'সিয়েরা লিওন' নামে একটি ছোট্ট সুন্দর দেশ আছে তাকে আমরা 'বেবি ডল' বলি না, কেন? তার কারণও অজানা। এবার, এই যে চারজনের কথা বললাম, এদের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে শান্ত, সহজে বশ্যতা স্বীকারকারী হলো ফুলটি, কারণ সে কিছু ডিমান্ড করে না বা তার থেকে কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই, তাই ফুলটির পেশা সমন্ধে আমাদের কোনো মাথাব্যথাও নেই। কিন্তু সানি লিওন? ত...