Posts

Showing posts from April, 2019

প্রাগৈতিহাসিক

Image
মধ্যরাত্রির মৃত্যুর পর খসে পড়লো শরীরের শেষ সুতোটুকু - কেমন আধুনিক অসভ্য দেখাচ্ছে আমায়! এক চূড়া থেকে আরেক চূড়ায়       ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছি আমি - গাছপালার রং                                   বদলে যাচ্ছে........ আমি মেয়েদের চোখের জল কামড়ে কামড়ে খাচ্ছি, আগুন জ্বালাতে ভুলে গেছি    তাই কাঁচা!                  এটা গহন অরণ্য                  এটা আধুনিক গুহা     (এখানে বসে কবিতা লেখা যায় না।) উলঙ্গ রাত্রি ক্রমশ ভরে যাচ্ছে বুকের ভেতর! এক লোক থেকে আরেক লোকে                    গুড়িয়ে যাচ্ছি আমি, আমার খেয়াল আমার অনুভূতি আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি      আর সীমার বাইরে অসীম অন্ধকার! চোখ      টেনে টেনে        তবু লিখছি চুম্বনরত দুটি জীবানুর অন্তরঙ্গতা হায়ারোগ্লিফি...

মেঘ সংহিতা

Image
এ যাবৎ আমি অনেক রকম মেঘ শিকার/ স্বীকার করেছি - স্বচ্ছ অলক মেঘ আকাশে থাকা সত্ত্বেও আমি সূর্যের পালকে দেখেছি পারস্পারিক বন্ধন - (মেঘ - ১) জলের মতো শুয়ে থেকে থেকে একদিন সবাইকেই বাষ্প হতে হয়। মেঘ হতে হয় সকলকে। আমাদেরও তেমন স্বপ্ন ছিল। বাষ্প জমিয়ে জমিয়ে বোমারু মেঘ হতে চেয়েছিলাম। ঠিক এমনই মেঘলা দিন - আকাশে ঝুলতো মেঘের ঝুরি; আমরা জানলায় টাঙিয়ে দিতাম ধৃতরাষ্ট্রের চোখ, আমাদের ব্লাউজ-শাড়ি ভিজে একসা। (মেঘ - ২) রাত জেগে আমরা ফসফরাস আলো পাহারা দিতাম। আকাশে নেবুলা দেখা দিত ঈর্ষান্বিত কাছের পাঁচিলগুলোয়; আমরা জানলা খুলে দিতাম পেয়ারা পাতার বইয়ে। প্রত্যেক সৎ মুহূর্তে আমার ঘুম আসতো না, আমি চমকে উঠতাম। পায়ে পায়ে নির্মেদ সময় আরও তাপ বর্জন করে শীতলতম রাত্রি পেতো। তারপর ধূলিকণার আশ্রয় হয়ে ওঠার পালা। একটু একটু করে উষ্ণতা ভুলে আমরা মেঘ হবো ভাবতাম। (মেঘ - ৩) এক ঝাঁক অবাধ্য ম্যাকারেল মাছ, হ্যারিকেন আর আমার মা গুনগুন স্বরে মাঠা তাঁত আগলাতো বর্ষায়। আমাদের সব দুঃখরা ডাকসাইটে অন্ধকারে চড়াও হতো অন্ধকারাচ্ছন্ন চুলের ভেতর। আমি শব্দ হারাবার ভয়ে বিপ্ বিপ্ খিস্তির মালা পড়িয়ে দিতাম প্যাঁ...

লেডি বাটন্

Image
আট হাজার স্নায়ু  মুখ থুবড়ে এসে ডানা ঝাঁপটায় ( ১/৪ হিমশৈল = মটরশুঁটি)  উত্তাল উন্মাদনা আছড়ে পরে  ভূমধ্যসাগরে আমি মঙ্গোলীয় পুরুষ হই আর তুমি শুক্রীয় নারী যুদ্ধ নয় আনন্দময় অ্যানড্রোজিনি! আস্তে আস্তে গভীর আপন হবার চেষ্টায় বর্ণমালার জিহ্বাফলক  অথবা তোমার সঙ্গী শাদা বেড়াল  কিংবা কাকাতুয়া অঙ্গুলিলেহনে বদলে যাওয়া পরিবেশ তুমি মারিয়া বোনাপার্টা হতে গেলে না আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রাখলে সমস্ত সুখ জন্মপথের এক ইঞ্চি দূরে বা কাছে                ______________ ©সৌরভ বর্ধন

ঘোটকী পুরাণ কাহীনি

Image
সাগর থেকে ফেরা অসহ্য নীল গুমরে থাকে ফুলের ভেতর  কোয়ান্টাম তথ্যের তারে তামসিক স্বর ভেসে আসে (২) যদি তারে নাই চিনি গো (সেকি) কার্বাইড দিয়ে পাকানো রোদ আরো নগ্নবীজ (?) (৩) সাঁজোয়া হামলায় বক্তৃতা সেরে নদীর জল উপত্যকায় ছিনি মিনি, মিনি ছিনি  ছলাৎছল্ (৪) ঘাড় তুলে ধরো বহুতল, ফেরীঘাট ফোঁটা জল সঞ্চিত হও বুকে (৫) হৃদয় চিল হৃদয়ে শকুন উপধমনীর আশকারাদান সমুদ্র বেয়ে আরোহণ ছবিতায় (৬) বালামচি খুলে রাখি এবার বেগুনী চেটে দেখি সফেন জুটেছে কোমরে বন্ধু মাটি , বন্ধু ঘাস (৭) একটু তন্দ্রা মতন ভয় নেমে আসে খুরে অনূদিত হয় সন্ধেবেলা ছন্দ রূপ রীতি স্তিমিত হচ্ছে ক্রমশ  (৮) আরো নটিক্যাল বিস্তৃতি আরো ঝাউবন পৃষ্টতা উজানে ভেঙে পড়ে দুই হাঁটু (৯) ব্যাস! থেমে যাও হ্রেষা নিস্তব্ধ টগবগ নীল বালি মুখে ভেঙে পড়ো হঠাৎ                             আস্তে আস্তে                                      ...

জলবিভাজিকা

Image
সময়ের সাথে সাথে নদীগুলি ক্রমশ ক্ষয় করে তাকে তার উচ্চতা ও প্রশস্ততা ধীরে ধীরে কবিতার কথা বলে ক. আখক্ষেতের নীচে সরু আলপথে খপ্ খপ্ করে হাঁটছি, এখন বর্ষাকালীয় হাঁটার চেয়ে কঠিন কিছু নেই আমার অথচ, চেয়েছিলাম দুজনে মিলে দোয়াব তৈরি করব - তুমি আগ্রা আমি এলাহাবাদ......... সত্যি কথা বলতে, এরপর গ্রিন-সিটি প্রকল্পের বাঁধানো ঘাটে বসে বিশ্রামরত উন্নয়নের সাথে আলোচনা                                                  আমাকে মানায় না ব্যক্তিগতভাবে বৃষ্টিপাত হলে আমি তুমুল হয়ে উঠি, ঘাসের রক্তের গন্ধ আমাকে বেসামাল করে রাখে ভোর খ. শূন্য বিঘৎ আয়ুর সামনে দাঁড়িয়ে পার্বত্য জল, দূরবীন ফুটনোটের নির্যাস চোষে ~ চকচকে বাদামি চেতনালাভ সাথেই থাকে লাইসোজোম প্যারালাল হিমমিশ্রের আন্তরিকতায় জমিদখল জবরদখল একের পর এক ভূমিরূপ, গন্ধমাদন পর্বতের মলাট খোলায় যতটা বাহাদুরি চোখে পড়ে ততটা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নয় অথচ, দুপুরবেলার সিঁড়ি বলে দেয় - ক্লিপে আঁটা রামধনু আর যাই হোক আম...

বেবি ডল

Image
ফুলটির পেশা কী?  কেউ জানতে চায়নি আজ পর্যন্ত। নির্দিষ্ট সাকিন যে আছে তাও তো বলা যাবে না। প্রকৃতিবিজ্ঞানী কেউ হয়তো অনেকটা বলতে পারবে তবু সবটা না। কিন্তু ফুলটি যে সত্যিই বেবি, তা তো নয়, বেবিরও বেবি হয়, যদিও আমাদের এখানে বেবি বলতে একজন হিজড়ের কথাই সকলে জানে যে জুয়া খেলে প্রচুর টাকা নষ্ট করেছিল এবং থানা-পুলিশও বিস্তর হয়েছিল। আবার, ফুলটিকে যে জোড় করে 'ডল' বলছি অর্থাৎ তার ওপরে 'জড় সত্তা' আরোপ করছি তা তো মানবতা এবং গাছবতা বিরোধী। গাছের সাথে আমরা এমনই করি, গাছ আমাদের অর্থের জোগান! যাক গে,  এবার আসল যে কথা বলার তা হলো - বেবি আর ডল - এই দুটো শব্দকে যখন পাশাপাশি রাখা হয় তখন যার কথা সর্বাগ্রে মনে আসে তিনি হলেন সানি লিওন, যদিও 'সিয়েরা লিওন' নামে একটি ছোট্ট সুন্দর দেশ আছে তাকে আমরা 'বেবি ডল' বলি না, কেন? তার কারণও অজানা। এবার, এই যে চারজনের কথা বললাম, এদের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে শান্ত, সহজে বশ্যতা স্বীকারকারী হলো ফুলটি, কারণ সে কিছু ডিমান্ড করে না বা তার থেকে কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই, তাই ফুলটির পেশা সমন্ধে আমাদের কোনো মাথাব্যথাও নেই। কিন্তু সানি লিওন? ত...

হসপিটাল ও একটি গোলাপ

Image
হসপিটাল ও একটি গোলাপ দীর্ঘদিন আমার ঠোঁটে বাঁধিয়ে রেখেছে খয়েরী অ্যাম্বুশ রঙের প্রতীক্ষা... আমার সতর্কবাণী শোনেনি কখনও, বিপুল পূর্ণতা নিয়ে ধুয়ে দিয়েছে বালুতট, যন্ত্রনামুখর দিনবদল আর শিরায় সবুজ থেকে ক্লোরোফিল, লাল থেকে হিমোগ্লোবিন কেড়ে অথবা নীল থেকে হিমোসায়ানিন ছিঁড়ে নিয়েছে কিনা আমি জানি না; তবে জেনেছি রাতের সমুদ্র কেমন হয়, কেমন হয় নতুন প্রমিক-ফুল, চালকবিহীন প্রান্তর থেকে এতো রক্তপাত কেন ছুটে আসে আমার কোমর পেঁচিয়ে --- তা জানবার অপেক্ষা আমায় করতে হয়েছে বিনিদ্র রাত। তাতেই চলৎশক্তিহীন হসপিটাল হাঁটুগেড়ে দিয়েছে আমায় একটি গোলাপ এবং পাঁচিল টপকে যাওয়া গোধূলি রং। তাতেই অগণ্য পালক বুলিয়ে দিয়েছে আদর : হয়তো তাই ধুলোর কাছে হ্যারিকেন জ্বাললে তুমি ভাবো ঝড়, পুরনো সংসার খুলে দ্যাখো ঝাড়বাতি লন্ঠন ঠিক আছে কিনা সব, সূর্যের ঘড়িতে তখনও মোরগ ডাকে না, তুমি কিংবা আমি যেন ভেবেছি যেখানে যেখানে ফোটে গোলাপ এবং স্থল, ফোটে টগবগে শীতঘুম সেখানে জোনাকির সঞ্চিত ফসল থেকে একটা একটা করে তৃষ্ণা মেটাতে হবে অথবা স্তূপ অন্ধকার শুষে নেওয়া সিরিঞ্জ থেকে নিরাপদ দূরত্ব রেখে সহজতর ঘুমের গন্ধে সেরে উঠি ভাব হাত...

স্তন ও হৃৎপিণ্ড

Image
চান করা স্তনের কাছে উস্কখুস্কো নৌকায় চেপে দাঁড়ালে মনে হয় আমার কাছে কোনো শব্দ নেই। চান না করা স্তনের কাছে উস্কখুস্কো জাহাজ চেপে দাঁড়ালে মনে হয় আমার কাছে কোনো হৃৎপিণ্ড নেই। ©সৌরভ বর্ধন

রিরংসা

Image
মাখা রোদ জানে কীভাবে লোমকূপে ফুটন্ত ঘাম জন্ম নেয়। রঙের প্যালেট কারো অপেক্ষা বোঝে না, বোঝে রঙিন চোখ। কাটা হোক বা নাহোক পৌরুষ চিনে রাখা। যে আলো মাসিক ব্যথার উচাটন, হিসি পেলে বিজুরীর মতো তাতে সবটুকু আঁধার নামে। - ওটুকুই দরকারী। হিংস্র দেয়াল থেকে নিহিত পাতালের কোলে শ্রাবন আসে কেন তা জানার জন্য বিছানায় নামতে হয় না; মাটির শাড়ি খুঁড়ে দিলেই সওব দিনের রোদ হয়ে যায়। তখন চিকন খোলা পিঠের ছায়াই দিতে পারে চুমুর আস্বাদ -- সর্বংসহা ত্বক! আর তবে এগিও না। - মাংসের গন্ধে আমার গা গুলায়; বমি পায় শিশ্নের.......                 ©সৌরভ বর্ধন

অন কিলিং আ ট্রি

Image
           গত তিনদিনে তিরিশবার চেষ্টা করেও এ বিষয়ে কবিতাকে একটি লাইনও দিতে পারিনি, তাই গদ্য লিখতে বসে পিছিয়ে যেতে হলো আরও তিন সপ্তাহ : নিজেকে দুহাতে জড়িয়ে থাকা কোনো সত্তা দিনের পর দিন ঝাঁকরা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল আমাদের সামনে। তাকে আরও সুস্থ তরতরে যাপন দেবো এই আশায় ডানা ছাঁটবার ব্যবস্থা হলো। কায়দাটা বাবা রপ্ত করেছিল দ্বিতীয় দিন আর আমি শিখতে গিয়ে মজা পেয়ে গেলাম, সোজাভাবে একবার ডানদিকে কোপ একবার বাঁদিকে, ব্যাস, ঝুপ্ ঝুপ্ করে খসে পড়বে জোড়াজোড়া হাতপাগুলো ; মাথার সবুজ ঘাঁ ধীরেধীরে শুকিয়ে যাবে। সেই তো মহানন্দে বাপ-ব্যাটা মিলে কুপিয়ে কুপিয়ে শেষমেশ একটা মার্জিত অবয়ব দিলাম তালগাছটাকে। তিনজনেরই ঘাম ঝরলো বিস্তর। প্রচুর জ্বালানি হলো মায়ের। গাছটাকে এবার বেশ সুঠাম সুপুরুষ লাগছে, একেবারে মেদহীন, যেকোন মেয়েগাছের প্রথম পছন্দ হতে পারে। অর্থাৎ প্রকৃতি বিজ্ঞান পড়তে পড়তে কীভাবে যেন আমি জগদীশচন্দ্রকে অস্বীকার করেছিলাম, আর প্রতিটা স্বীকৃত কামড় বসিয়ে সফলতা উপভোগ করেছিলাম। কিন্তু সৎ ছিলাম। ভেবেছিলাম, এভাবে কষ্ট পেয়ে গাছটা নিজেকে নতুন বাঁচার আনন্দ দেবে। শরীর জুড়ে সমস্ত ক্ষত নিয়ে দিব...

হাসিক_রুণা

Image
             তারপর ঘুম থেকে উঠে জানলা বন্ধ করে দিই। এসময় জানলা দিয়ে অন্ধকার ঢুকে যায়। আর কে না জানে অন্ধকারে হাসা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর। তাই অন্ধকার হওয়ার আগেই আমি হাঁটতে বেরই আর হাসি, হাসির কথা উঠলে বলি হাসবো হাহা হাহা। যদিও অত জোড়ে হাসতে আমি পারি না, ওটা আমার প্রেমিকা রপ্ত করেছে বা ওর বা ওদের স্বভাবগত, আমার নয়। তবুও রাস্তায় একা একা হাসতে দেখলে আমায় যারা পাগল ভাবে তারা তো জানে না দীর্ঘ দিন হলো আমার লাগানো বাঁশগাছগুলো বেশ বড়ো হয়ে উঠেছে, তারা দোল খায়, মড়মড় আওয়াজ করে মনের ভেতর; এই ঝাড়ে কোনো ভূত নেই, কোনো ভবিষ্যৎ যে আছে সে কথাও নিশ্চিত করে বলতে পারি কই! পারি না বলেই হাসি, করুনা হয় তাই হাসি। করুণানিধান নামে শান্তিপুরে এক কবি ছিলেন, তাঁর 'পদ্মপুকুরে' কবিতায় আমি হাসি বা করুণা কোনোটারই উল্লেখ পাইনি, শুধু প্রকৃতির নিখাদ বর্ণনা পেয়েছি; আচ্ছা প্রকৃতি বললেই তো গাছের কথা পাখির কথা জলের কথা মনে আসে, এরা কি হাসতে পারে? অথবা করুণা? কী জানি! পারলেও কী বলবে আমায়? আমি কি অতটা কাছের যতটা কাছের হলে বান্ধবী আর হাসতে পারে না, শুধু গরম নিঃশ্বাস ফেলতে পারে  শুধু দম বন্ধ...

বনচাঁড়ালের রিপোর্ট : পজিশন 69

Image
ছয়কে নয়          নয়কে ছয়         করার মন্ত্রোচ্চারণ                        শিকেয়তোলা থাক। বরং এ খাদ্য সমর্পণ করে দাও আমাকে    আমার বহুদিনের সখ তোমার ঋতুস্নানের অশুদ্ধ খবর শুদ্ধ সমকামী চেতনায় চেটে দেখবো গ্রন্থজন্ম লাভের আশায় বা 'অপাবৃণু' শব্দটার বাস্তব মানচিত্র আঁকার জন্য কিংবা অন্য কোনো কারনে রাশিয়ার কোনো এক গ্রাম থেকে চোখের পাতায় করে শুষ্ক বরফ এনে যদি বলি লরির চাকার কাছে তোমার নমনীয়তার পাঠ নেওয়া উচিত তাই একে একে সমস্ত আরশোলা ভেঙে শামুক ফিরে যায় শতাব্দীপ্রাচীন জলীয় চিহ্ন  ও বিহ্বলতায় তোমার চুনাপাথরের মোড়ক গলে বৃষ্টিসঞ্জাত হ্যারিকেন  জন্ম নেয় তুষারপাতের কাঠিন্যে, বেশরম মাকাল ফুলশয্যায়, ঋজু রঙের প্রেম ঘুরতে ঘুরতে মেলার রাতে  নাগরদোলা হয়ে যায় আমি ফিরে পাই বড়োবেলার বীর্যপাতে ছোটবেলার সাইরেন, অযথা চুল ছিঁড়ে তুমি উকুনের পিঠে চেপে বসো, বালামচির ফণা তুলে ডেকে আনো বিজ্ঞান বইয়ের শব্দ বিষয়ক সোহাগ যাকে সেঁজুতির রসে ডুবিয়ে রাখলে নিরোধ...

বিষ সংক্রান্তি

Image
ভ্রাম্যমান ডানার মতো এক সকাল নেপচুনকে অতিক্রম ক'রে ক্রমশ আমার দিকে ছুটে আসে আমার সমস্ত হাতের লেখায় ওর বিচরণ আমি টের পাই এমনকি চুম্বনরত অবস্থায়ও গোঁফের চুল একটা একটা করে সরিয়ে আমাকে আরও তোমার মধ্যে ঠেসে দেয়, মাঝেমাঝে দম বন্ধ হয়ে এলে চারিদিকে দু-একটা গাছের ফুসফুস খুব সন্তর্পণে ছিদ্র করতে দেখেছি ওকে - এতটা ডেডিকেটেড! খুব কম দ্যাখা যায় এমন সকাল এবং আমার দ্যাখা যেকোন ধ্রুবতারার চেয়ে কম উজ্জ্বল নয় এই সত্য! যখনই একটা অক্ষর, ধরো প অথবা ফ পাখা মেলে, ডানা ঝাপটিয়ে আমার খাদ্যনালীতে ফলিডল ছড়িয়ে দেয়, আমার তো কিছুই করার থাকে না তেমন, আমি সারারাত মরতে                                                             মরতে।                     মরতে।                                         ...